অনর্থনীতির ইতিহাস

প্রবাসে থাকলেও ষষ্ঠীর সকালে ট্র্যাজিক ব্যাখ্যান লিখতে আর ভালো লাগে কই, কিন্তু না লিখেও শান্তি নেই।  এরকম অশান্তি থেকেই মনেপ্রাণে চেয়েছিলাম পরিবর্তন আসুক কিন্তু আপনাদের অনেকের মতনই আমারও “ধূলিসাৎ বটে সে বালখিল্য স্বপ্নরা” এবং আপাতত শুধুই “দগ্ধ হৃদয় হাওয়ায় মেলতে পথ ঘোরা”।

কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিতেই বোধহয় বিজনেস টুডে সম্প্রতি দু’পাতা জোড়া গ্রাফিটির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন শিল্পে পশ্চিমবঙ্গের করুণ অবস্থাটি। করুণ অবস্থা নিয়ে বাঙ্গালীদের নতুন করে অবহিত করার কিছু নেই কিন্তু সংখ্যা বড় দায়, তাই সেগুলো একবার জানানো যাক (বলে রাখা ভালো যে সংখ্যারাজি এসেছে বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স এবং প্ল্যানিং কমিশন থেকে)।

১) নতুন শিল্পপ্রকল্পের সংখ্যা ২০১০-এ ছিল ৩২৩, ২০১২ র শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ১২। এমন কি পিছিয়ে যদি ২০০৫-এও যান, তখনও নতুন শিল্পপ্রকল্পের সংখ্যা ছিল ২২৭। প্রশ্ন উঠতে পারে যে এই ২২৭ কি ৩২৩-র অধিকাংশই হয়ত কুটিরশিল্প আর ১২-র অধিকাংশই যাকে বলে হটশট – সেটা খুবই সম্ভব । কিন্তু বিনিয়োগের অঙ্কটা দেখতে গেলেও চোখ জল – ২০১০-এ যেখানে বিনিয়োগ ছিল প্রায় পনের হাজার কোটি, ২০১২ তে সেটা গিয়ে থেমেছে ৩১২ কোটিতে।

২) সারা ভারত জুড়ে আসতে থাকা বৈদেশিক বিনিয়োগের মাত্র ১% শতাংশ ঢুকেছে পশ্চিমবঙ্গে। মুম্বাই, দিল্লী কি ব্যাঙ্গালোরের কথা ছেড়েই দিন, ওদের সঙ্গে কলকাতাকে এক সারিতে রাখার কোনো প্রশ্নই নেই, কিন্তু আমেদাবাদ-ও অনেকটাই এগিয়ে। আবারো মনে করাই এটা ২০১২-র হিসেব, ২০১৩-র হিসেব এখনো হাতে আসেনি কিন্তু মনে হয় না সামগ্রিক চিত্রে ইতরবিশেষ তফাত-ও হবে।

৩) রাজ্যের সামগ্রিক সম্পদে শিল্পের কন্ট্রিবিউশন-ও বাম আমলের তুলনায় কমেছে – ২০০৯ কি ২০১০ এর কনসিস্টেন্ট ২০ শতাংশর জায়গায় সেটা এখন নেমে এসেছে ১৯%-র নিচে।

৪) ইকোনমিক গ্রোথ রেটেও অগ্রগামী রাজ্যগুলির তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ এখনো বেশ পিছিয়ে যদিও বিজনেস টুডে বলছেন যে একমাত্র আশার আলো হল ব্যবধান কমছে। কিন্তু অর্থনীতির ছাত্র মানেই জানেন যে একে ঠিক আশার আলো বলা যাবে না, কারণ যে সমস্ত রাজ্য গ্রোথের হিসাবে অনেকটাই এগিয়ে শুরু করেছে তাদের বৃদ্ধির হার পুরনো একই হারে বাড়তে পারে না। তাই জন্য আমেরিকা কি জার্মানির তুলনায় চীন বা ভারতে ইকোনমিক গ্রোথ রেট অনেক সময়েই বেশী হতে দেখবেন। এর মধ্যে আবার যদি সার্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কথা ধরেন তাহলে কথাই নেই, গুজরাট কি মহারাষ্ট্র যে হারে বাড়ছিল তা কমে আসতে বাধ্য। তাই বরং তাকানো ভালো ভারতের ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং রাজ্যগুলির দিকে – সেখানে প্রথম পাঁচ রাজ্যগুলি যখন ১২ থেকে সাড়ে ৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে, আমরা সবে ৭ পেরিয়েছি (এগুলো কিন্তু একদম হালের পরিসংখ্যান)।

এবার শিল্প ছেড়ে দেখা যাক প্রাথমিক শিক্ষা, পানীয় জলের সহজলভ্যতা, স্বাস্থ্য খাতে সরকারী ব্যয়, পাকা রাস্তাওলা পরিকাঠামো – যেদিকেই তাকান, দেখবেন এমন কি ছত্তিশগড়, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান-ও অনেক এগিয়ে। কংগ্রেস হোক কি বিজেপি, রাজনৈতিক মতাদর্শ এখানে আলাদা করে ছাপ ফেলেনি – বহু রাজ্যই শেষ তিন চার বছরে নীরবে অনেক পরিবর্তন এনেছে। অল ইজ অফ কোর্স নট ওয়েল, কিন্তু কাজ হচ্ছে – আমরা স্বীকার করি কি না করি, সংখ্যার ‘পরিবর্তন’ হবে না। ভাবতে পারেন তবে কি আঞ্চলিক দলগুলোই পারছে না? কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের বৈমাতৃক মনোভাব? সে কথাও বলা যাবে না, বিহার মডেলের সাফল্য আমরা দেখেছি এমন কি তুলনামূলক ভাবে পিছিয়ে পড়া রাজ্য উত্তরপ্রদেশেও কাজ হচ্ছে, তামিলনাড়ুর মতন রাজ্যর কথা ছেড়েই দিলাম।

অর্থনীতি আর রাজনীতিকে আলাদা করা বোঝা সম্ভব নয়। অর্থনীতির বেহাল অবস্থা বোঝার জন্য  দরকার রাজনীতির বিশ্লেষণ-ও। আসুন, আজকে কিছু পুরনো গল্প শোনা যাক – যে গল্প মনে করাবে স্বাধীনোত্তর পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির ইতিহাস আদপে অনর্থনীতির, রাজনৈতিক অদূরদর্শিতা কিভাবে আমাদের ক্রমে ক্রমে নিয়ে গেছে খাদের কিনারায়।

AM_BCR

 

বিধান রায় যে পশ্চিমবঙ্গের রূপকার সে কথা কংগ্রেস, তৃণমূল তো বটেই বহু বামপন্থী নেতাও অস্বীকার করবেন না। দুর্গাপুর, কল্যাণী এমন কি কলকাতার মেট্রো রেলও যাঁর ব্রেন চাইল্ড, তাঁকে এহেন তকমা দেওয়াটা হয়ত অসঙ্গত নয়। কিন্তু অনর্থনীতির শুরু যে বিধান রায়ের আমল থেকেই, সে কথাটাও মনে রাখা দরকার। বাংলা তথা সামগ্রিক পূর্বাঞ্চলে কয়লা এবং ইস্পাতের সহজলভ্যতার ফলে স্বাধীনতার আগে আমাদের একটা কম্পিটিটিভ অ্যাডভান্টেজ ছিল। ১৯৫৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ফরমান জারি করেন যে দেশ জুড়ে কয়লা এবং ইস্পাতের দাম এক রাখা হবে, এ ছাড়াও বলা হল কয়লা পরিবহণের জন্য দূরত্ব যত বেশী হবে, কিলোমিটার প্রতি দাম তত কম পড়বে। এহেন পরিপ্রেক্ষিতে এটা এক্সপেক্টেড যে রাইটার্স বিল্ডিং থেকে প্রতিবাদের ঝড় উঠবে, যুক্ততান্ত্রিক পরিকাঠামোয় কেউই নিজের কম্পিটিটিভ অ্যাডভান্টেজ টুকু এমনি এমনি ছেড়ে দেবেন না। কিন্তু প্রতিবাদ আদপেই ওঠেনি, রাইটার্স বিল্ডিং বলতে গেলে নিশ্চুপেই মেনে নিয়েছে এ ডিকটাম – কারণ বিনিময়ে দেওয়া হয়েছে দুর্গাপুর। বামপন্থী নেতাদের মধ্যেও অনেকেই দুর্গাপুর পাওয়ায় এ নিয়ে বিশেষ রা কাড়েননি, ব্যতিক্রম অশোক মিত্রের মতন কিছু হাতে গোনা নেতা। অশোক মিত্র সবসময়ই বলে এসেছেন দুর্গাপুরের বদলে ওই কম্পিটিটিভ অ্যাডভান্টেজ টুকু বিকিয়ে দেওয়ার মতন বোকামি খুব কমই দেখেছি আমরা। সেটা প্রথমবারের জন্য বোঝা যায় ষাট দশকের শেষে যখন ইস্পাত শিল্পে মন্দা আসে। দুর্গাপুর যেহেতু ইস্পাত শিল্পের পীঠস্থান, এবং স্টীল প্রোডাক্টের মূল্য নির্ধারণে বাংলার ভূমিকা ততদিনে নগণ্য,  বেশ ভালো মতনই মার খেলাম আমরা। এমনই বিড়ম্বনা যে সত্তরের দশক থেকে দুর্গাপুর উল্টে বাংলার মধ্যে পরিচিতি পেতে লাগল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য, সেই ট্র্যাডিশন এখনো চলছে। কিন্তু ইস্পাতনগরীর দুর্গাপুরের শিল্প নিয়ে আর বলার বেশী কিছু রইল না। শুধু রাজনীতিকদের দোষ দিয়ে লাভ নেই, এ নিয়ে তখনকার বাঙ্গালী শিল্পপতিরাও ( এমন কি স্যার বীরেন মুখার্জী-ও) কোনো উচ্চবাচ্য করেননি। দুর্গাপুর নামক নাড়ুটি মিলল  ঠিকই, কেউই বুঝলেন না মোটের ওপর সেটা হাত ঘুরিয়ে পাওয়া।

Refugee

 

পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক অর্থনীতির বেহাল দশা নিয়ে আলোচনা শুরু হলেই উদ্বাস্তু সমস্যার কথা উঠবেই। উদ্বাস্তু সমস্যা যে পশ্চিমবঙ্গকে ব্যতিব্যস্ত করে এসেছে সে নিয়ে কোনো সন্দেহই নেই, পাঞ্জাবের মতন রাজ্য যে পরিমাণ সাহায্য পেয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে আমরা সে সব পাইনি। কিন্তু তার পরেও আমাদের অদূরদর্শিতার কথা তুলতেই হবে। পঞ্চাশের মাঝামাঝি থেকে রাজ্য সরকার শিল্পপতিদের উৎসাহ দিতে শুরু করেন উদ্বাস্তুদের জন্য শিল্পপ্রকল্পে বিনিয়োগ করতে, কথা দেওয়া হয় রাজ্য সরকার-ও এ ব্যাপারে আর্থিক সহায়তা করবে। কুড়িখানি এরকম প্রকল্পের আবেদনপত্র মঞ্জুর-ও করা হয়। কিন্তু সমস্যা দেখা দিল অন্য জায়গায়, এই সব শিল্পপ্রকল্পগুলিকে রাখা হল সরকারের অধীনে (সবগুলিই হয়ে উঠল পাবলিক সেক্টর প্রোজেক্ট), অর্থাৎ অন্ত্রপ্রেনিওরদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই প্রায় থাকল না। স্বাভাবিক ভাবেই, বিনিয়োগকারী এবং শিল্পপতিরা শুরুর উৎসাহ হারিয়ে ফেললেন। শিল্পপতিরা উৎসাহ হারানোয় সরকারপক্ষ-ও বিশেষ গা করলেন না – শান্তিপুরের তাঁতকল, হুগলীর রবীন্দ্রনগরের রোলিং মিল, ধুবুলিয়ায় চিনির কল, উত্তরবঙ্গের কাঠ চেরাইয়ের কারখানা সব খাতায় কলমে প্রকল্প হয়েই পড়ে থাকল। কেন্দ্রীয় সরকারের পরামর্শে রাজ্য সরকার প্রথমে হিসেব করে দেখলেন উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনটুকু দিয়ে এ রাজ্যে রাখা যায় কিনা, তারপর ওপার বাংলা থেকে আগত শরণার্থীদের ঢল দেখে সেসব হিসেবনিকেশ-ও শিকেয় তুললেন। উপরন্তু পূর্ব পাকিস্তান এবং পরে বাংলাদেশ থেক আগত শরণার্থীদের নিজের দেশেই সম্মানের সঙ্গে পুনর্বাসনের বন্দোবস্ত করার জন্য যে রাজনৈতিক সদিচ্ছার দরকার ছিল, সেটা  বাম-ডান কোনো পক্ষই দেখাতে পারলেন না। অতএব, শিল্পের সাহায্যে উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানের আইডিয়াকে গুলি মেরে হাজার হাজার শরণার্থীকে পাঠানো হল দন্ডকারণ্যে, বিরোধী দল আবার সেই উদ্বাস্তুদের মধ্যেই ভোটের বেস বানানোর জন্য অনাগত ভবিষ্যৎ এর কথা না ভেবেই ক্যাডার মজুত করতে লাগলেন। ফল হল এই যে উদ্বাস্তু সমস্যায় জেরবার পশ্চিমবঙ্গে প্রায় তিরিশ-চল্লিশ বছর ধরে বেকারি হুহু করে বাড়তে লাগল আর যারা বিরোধীপক্ষের ক্যাডার হওয়ার সুযোগ পেলেন না তাঁরা মরিয়া হয়ে বাংলায় ফিরে এসে দেখলেন সরকার পালটে গেলেও তাঁদের মরিচঝাঁপিতে গুলি খেয়ে মরতে হচ্ছে।

 

 

 

cs_h

উদ্বাস্তু সমস্যা চরম আকার ধারণ করে সত্তরের দশকে, আর ওই সত্তরের দশকের শেষের দিকেই বামফ্রন্টের ‘দুর্গাপুর’ হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের জন্ম। ৭৭ সালে যখন হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের গোড়াপত্তন হয়, বিনিয়োগের জন্য প্রধান ভরসা ছিলেন বামফ্রন্ট সরকারের দুই ঘনিষ্ট শিল্পপতি – রমাপ্রসাদ গোয়েঙ্কা এবং দরবারী শেঠ। কিন্তু বছর আটেক কাজই শুরু হতে পারেনি, কাজ শুরু হওয়ার পরেও এতই শ্লথগতিতে কাজ হতে থাকে যে শুরুর বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে, প্রায় সবাই সরে আসেন। সরকারের সঙ্গে তাঁদের হৃদ্যতায় কোনো ছাপ না পড়লেও হলদিয়া পড়ে থাকে বিশ-বাঁও-জলে। তারপর ৯৪ সালে পূর্ণেন্দু চ্যাটার্জীর আগমন এবং পরবর্তী ইতিহাস প্রায় সবাই জানেন।  কিন্তু একটা চমৎকার আইডিয়ার পঞ্চত্বপ্রাপ্তি প্রায় ঘটছিল কি কারণে (যার ফল এখনো টেনে বেড়াতে হচ্ছে)? অন্যতম প্রধান কারণ – ইনফ্রাস্ট্রকচার ছাড়াই মাঠে নেমে পড়া। ইনফ্রস্ট্রাকচার বলতে কিন্তু শুধু যন্ত্রপাতি বুঝবেন না, উৎপাদনের একটি অন্যতম শর্ত জমি। পশ্চিমবঙ্গে জমি যোগাড় করা যে কত কঠিন কাজ সে কথা সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের সুবাদে আজ কারোর অজানা নয়, হলদিয়াতেও কিন্তু জমির কারণেই কাজ থমকে থেকেছে বহু বছর। ফলত মিৎসুবিশি, নিশিমেনের মতন সংস্থা উৎসাহ দেখিয়েও কাজ করে উঠতে পারেনি। হলদিয়া যথার্থই বামফ্রন্ট সরকারের ড্রীম প্রোজেক্ট, নয় নয় করে বেশ কিছু দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীকেও তাঁরা টেনে আনতে পেরেছিলেন কিন্তু লাভটা কি হল তাতে?  আপনি স্বপ্ন দেখছেন আপনার ড্রীম প্রোজেক্টকে বাস্তবায়িত করার অথচ গোড়াতেই গলদ। জমিই যদি না থাকে, তাহলে কাজটা হবে কোথায়? এবং তার সঙ্গে আছে সেই চিরাচরিত ‘কস্ট ওভাররান’ এর সমস্যা। একজন বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের পরিমাণই বলুন বা খরচের, সবই এই আটকে যাওয়া জমির দরুণ হু হু করে বাড়তে থাকবে, আর ঠিক সেই কারণেই একের পর এক শিল্পপতি এই প্রোজেক্ট ছেড়ে চলে গেছেন। নন্দীগ্রাম বা সিঙ্গুর দেখিয়েছে জোর করে জমি অধিগ্রহণের কি ভয়াবহ পরিণাম হতে পারে আর হলদিয়া তার বহু আগেই দেখিয়ে গেছে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিনিয়োগকারীদের টেনে আনলে পস্তানি শুধু বর্তমানের জন্য বরাদ্দ থাকে না, ভবিষ্যৎ-এ প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগটুকুও মেলে না।

রাজা আসে, রাজা যায় – আমরা শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখি পাঞ্জাব, গুজরাট, তামিলনাড়ু তো ছাড়, এখন বিহার, উত্তরপ্রদেশ হয়ে এমনকি মেঘালয়, ছত্তিশগড়েও রিফরমের ঘনঘটা। কেউ ঢাক বাজিয়ে করছেন, কেউ নিঃশব্দে – কিন্তু সবাই বর্তমানের কথা ভেবে সুখ পেতে পারেন। আমাদের সুখস্মৃতি সেই ৭৭ এর ল্যান্ড রিফরমেই আটকে আছে, তারপরে ভাঁড় পরিপূর্ণ করতে মা ভবানী ছাড়া আর কেউ এসে পৌঁছননি।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s