ঈশ্বর সৃষ্টির সন্ধানে

মানুষ এবং ঈশ্বর –  স্রষ্টা কে, সৃষ্টিই বা কে? চরম প্রশ্ন, পরম প্রশ্ন। নাস্তিক এবং আস্তিকরা যুগযুগ ধরে বিতর্কে  জড়িয়ে পড়েও কূলকিনারা করতে পারেন নি। একটা মধ্যপন্থা বেছে নিয়ে (পালিভাষায় যাকে বলে ‘মজঝিম পটিপদা’) তাই কিছুজন আবার নিজেদের বলতে শুরু করলেন ‘অ্যাগনোস্টিক’ (চেনাশোনা বাঙ্গালী সেলিব্রিটিদের মধ্যে অমর্ত্য সেন একজন) । আমি বহুদিন ধরে দুটো হাইপথেসিস নিয়েই ভাবনাচিন্তা করছি, এবং স্বভাবতই স্রষ্টা মানুষ এহেন হাইপথেসিস নিয়ে বেশী উত্তেজিত বোধ করেছি। যদি এমনটা হয়েই থাকে, তবে কিভাবে হল? কি কারণ? কন্সপিরেসি থিয়োরী শোনা যায়, প্লেন টালমাটাল হলেই অক্সিজেন মাস্ক পরে ফেলতে হয় যাতে চরম বিপদে শেষের মুহূর্তে মাথা বেশি কাজ করতে না পারে। এ ক্ষেত্রেও কারণটা কি খানিক তাই? নশ্বর জীবনের যাবতীয় দুঃখকষ্ট যাতে কিছুটা সুদিং আবহাওয়ায় সয়ে নেওয়া যায়? ঐশ্বরিক জগতের মোহ থাকল ওই অক্সিজেনের কাজ দিতে! নাকি, আমার আপনার মতন মানুষ সেট অফ রুলস তৈরী করলে বাকিরা নাও মানতে পারে, তাই এক ‘সুপার’ (থুড়ি সুপ্রীম) পাওয়ারের আগমন? প্রশ্নগুলো চমৎকার, ভাবনাচিন্তার অনেক খোরাক দ্যায়। সেই ভাবনাচিন্তা থেকেই লিখেছিলাম এই সিরিজ ‘ঈশ্বর সৃষ্টির সন্ধানে’ (সুন্দর একটা কাকতালীয় সংযোগ সৃষ্টি করে বেরিয়েওছিল ‘সৃষ্টি’ পত্রিকায় (২০০৯)। অফ কোর্স,  পিওর লজিক দিয়ে দেখলে অন্য হাইপথেসিসটাও সত্যিই হতে পারে। কোনটা সত্যি সেটা যাবজ্জীবনে জানা সম্ভব নয়, তাই যত দিন যাচ্ছে আমার স্ট্যান্ডটাও অ্যাগনোস্টিকদের সঙ্গেই কনভারজ করছে।

iss1

iss2

iss3

Advertisements