হত্যা হাহাকারে – ২

Image

নেসবোর আর একটি বিশেষত্ব হল, পাঠককে ভিকটিমের ভয় ও যন্ত্রণার সঙ্গে ফার্স্ট-হ্যান্ড পরিচিতি দেওয়া। ২০১২ তে বেরনো ‘দ্য লেপার্ড’ এর কথাই ধরুন,

“Don’t touch the wire.”

If she pulled it, the ridges might retract into the ball, and she would be spared the pain. Ger thoughts ran in the same circles. How long had she been there?  Two hours? Eight hours? Twenty minutes? ………..

Yes, it was a game, a brutal game. And she had to play. The pain was intolerable, her throat was swelling; soon, she would suffocate.  She tried to scream again, but it subsided into a sob, and she blinked and blinked, without producing any further tears……

She pulled the wire.

নেসবোর আগেও বহু বিদেশী এবং হাতে গোনা কিছু দেশী লেখক এ পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন। কিন্তু অধিকাংশ সময়েই সেখানে হু-ডান-ইটের ছোঁয়া; পাঠক যখন অন্ধকার ঘরের এক কোণ লুকিয়ে রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছেন তখন প্রায় সবসময়ই ক্লাইম্যাক্স মুহূর্ত, উত্তেজনা তুঙ্গে – কে, কেন, কোথায় ইত্যাদি। নেসবো ভুলেও সে পথে যান না। অপরাধী ও তার শিকারের সাক্ষাতের মুহূর্তগুলি খুব ম্যাটার অফ দ্য ফ্যাক্ট হয়ে আসে। যন্ত্রণাই যে নিয়তি, অস্তিত্বরক্ষা যে নিছকই একটা চান্স গেম সেকথা লেখক অনায়াসে বুঝিয়ে দেন, সেখানে অনাবশ্যক উত্তেজনার কোনো স্থান নেই। আর তাই প্রতিটি অক্ষর পাঠকমনে দাগ কেটে যায়।

হ্যারি হোল সিরিজে এখনো অবধি দশটা বই বেরিয়েছে, সাম্প্রতিকতম বইটি হল ‘পোলিটি’, নরওয়েজিয়ান ভাষায় যার অর্থ পুলিশ – এর ইংরেজী অনুবাদ সম্ভবত এ বছরের সেপ্টেম্বরে বেরোবে। দশটির মধ্যে সাত নম্বর ‘স্নোম্যান’ আক্ষরিক অর্থে গেম চেঞ্জার, নেসবো এবং হ্যারি দুজনকেই বিশ্বজোড়া পরিচিতি দিয়েছে এ বই।  ‘স্নোম্যান’এর পর ইংরেজীতে অনূদিত হয়েছে আরো দুটি বই ‘দ্য লেপার্ড’ (২০১২) এবং ‘ফ্যান্টম’ (২০১৩)। দুটিই ব্লকবাস্টার এবং আশার কথা এই যে বডি কাউন্টে কোনো কমতি পড়ছে না, মেরুদন্ডে ঠান্ডা স্রোত অব্যাহত। সর্বোপরি প্লট এতটাই জমে উঠছে যে প্রত্যেকবারেই আশঙ্কা হয় শেষটায় গিয়ে ভারী নিরাশ হতে হবে কিন্তু নেসবো সহায়। ইদানীং আবার লেখক আমদানি করছেন সম্পূর্ণ অচেনা কিছু মারণাস্ত্রের। সেসব অস্ত্রের বর্ণনাই রক্ত জল করার জন্য যথেষ্ট। ‘ফ্যান্টম’-এ বর্ণিত ‘দ্য বীটল’ এর কথা বলি।

The method had originally been Russian and used on informers. First of all, the informer’s ear was nailed to the floor beneath a roof beam. Then six long nails were hammered halfway into a brick, the brick was tied to a rope slung around the beam and the informer held the rope end between his teeth. The point – and the symbolism – was that so long as the informer kept his mouth shut he was alive.

মুখ খোলার পরিণতি? কল্পনা করতে পারেন তবে আরো ভালো হয় যদি হ্যারির মুখ থেকেই সেটা শোনা যায়। যতই নৃশংসতা থাকুক, ভদ্রলোক জানেন গল্প কিভাবে জমাতে হয়।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s